7 প্রকারের লোগো যা আপনার পরবর্তী ডিজাইন প্রজেক্টে সাহায্য করবেঃ
7 প্রকারের লোগো যা আপনার পরবর্তী ডিজাইন প্রজেক্টে সাহায্য করবেঃ
ওয়ার্ড মার্ক লোগোঃ কোম্পানির নামের সম্পূর্ণ অংশকে নিজস্ব ফন্ট স্টাইল ও রঙ ব্যবহার করে এই ধরনের লোগো তৈরি করা হয়। কোম্পানির নাম এক বা দুই শব্দের হলেই সাধারণত এই লোগো ডিজাইন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেমনঃ গুগল, কোকাকোলার নামের পুরো অংশ নিয়েই ব্র্যান্ডের লোগো ডিজাইন করা হয়েছে।
মাস্কট লোগোঃ কার্টুন, রঙিন ছবি বা হাস্যরসপূর্ণ মাস্কট ব্যবহার করে এই ধরনের লোগো ডিজাইন করা হয়। যেমনঃ KFC, Twingle এর লোগো। সাধারণত খাবার ও খেলার ব্র্যান্ডগুলো এই লোগো ব্যবহার করে। যদি কমবয়সী ছেলেমেয়েরা আপনার ব্র্যান্ডের টার্গেট হয়ে থাকে তাহলে মাস্কট লোগো ক্রেতাদের মধ্যে বেশ ভালো ছাপ ফেলতে পারবে। ক্রেতাদের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা প্রকাশ করার জন্যেও এই ধরনের লোগো ডিজাইন ব্যবহার করা হয়।
এমব্লেম লোগোঃ এমব্লেম লোগো টেক্সট এবং কোম্পানির সিম্বল সংযুক্ত করে তৈরি করা হয়। যেমনঃ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি সংস্থার লোগো। চিরাচরিত ঐতিহ্যের ছোঁয়া থাকে এই লোগোতে। এই লোগোর সুবিধাজনক দিক হল এটি অন্যান্য লোগোর তুলনায় পেশাদারিত্বের পরিচয় দেয়।
অ্যাবস্ট্র্যাক্ট মার্ক লোগোঃ এই লোগো ডিজাইনে লেটার ছাড়া জিওমেট্রিক শেপের ছবি ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ পেপসি, মাইক্রোসফট ইত্যাদি। অ্যাবস্ট্র্যাক্ট লোগোর মাধ্যমে আপনার ব্র্যান্ডকে মার্কেটপ্লেসে তাৎক্ষণিকভাবে পরিচিতি এনে দিতে পারেন। তবে নতুন ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রে লোগোর সাথে ব্র্যান্ডের নাম যুক্ত করে দেয়াই ভালো।
লেটার মার্ক লোগোঃ সাধারণত কোম্পানির নামের প্রথম অক্ষরগুলো নিয়ে এ ধরনের লোগো তৈরি করা হয়ে থাকে। যেমনঃ NASA এর লোগো তৈরি করা হয়েছে এই সংস্থার পূর্ণ নাম National Aeronautics and Space Administration এর সবগুলো শব্দের প্রথম অক্ষর থেকে।
এরপর Home Box Office এর প্রতিটি শব্দের প্রথম অক্ষরগুলো নিয়ে HBO এর লোগো তৈরি করা হয়েছে। এ ধরনের লোগো তৈরি করার ক্ষেত্রে নজরকাড়া ফন্ট ব্যবহার করা হয়ে থাকে। নতুন শুরু করা ব্যবসার লোগো তৈরিতে এটি বেশ উপযোগী লোগো ডিজাইন।
কম্বিনেশন লোগো মার্কঃ নাম শুনেই বুঝতে পারছেন যে, এ ধরনের লোগো ডিজাইনে লেটার, পিকচার, ওয়ার্ড সবকিছুর সমন্বয় করা হয়ে থাকে। যেমনঃ Burger King, Toyota এর লোগো। ভবিষ্যতের পরিবর্তনশীল ট্রেন্ডের সাথে মানিয়ে নেয়ার জন্য কম্বিনেশন লোগোর ব্যবহার সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।
পিকটোরিয়াল মার্ক লোগোঃ এটি হচ্ছে মূলত আইকন ভিত্তিক লোগো। ব্র্যান্ডের নামের সাথে মিল আছে এমন ছবি ব্যবহার করে এই লোগো ডিজাইন করা হয়।যেমনঃ Twitter, Target etc.
আজকের লেখায় ৭ প্রকারের লোগো ডিজাইন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি, উপরে উল্লেখিত লোগো ডিজাইনগুলো আপনার পরবর্তী প্রজেক্টে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
Comments
Post a Comment